সোমবার, ০৬ Jul ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
গত ১৪ জানুয়ারি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো দিনাজপুরে ৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর থেকে দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০-১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠানামা করলেও গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) আরো কমে ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামে। আজ শুক্রবার )২৯ জানুয়ারি) এক ডিগ্রি বেড়ে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এসেছে।
তাপমাত্রা কমার সাথে সাথে শৈতপ্রবাহ শুরু হওয়ায় শীতের তীব্রতাও বাড়ছে। সঙ্গে কুয়াশার দাপটও চলছে। দুপুরে ২/৩ ঘণ্টার জন্য সুর্যের দেখা মিললেও শৈতপ্রবাহের কারণে সুর্যেরও কোন উষ্ণতা নেই।
হাড় কাঁপানো কনকনে শীতের দাপটে বিপর্যস্ত জনজীবন। শৈতপ্রবাহের কারণে কৃষি শ্রমিকসহ শ্রমজীবী মানুষজন দুর্ভোগের শেষ নেই। সকালে কৃষি শ্রমিকদের মাঠে কাজ করতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে।
এদিকে, শীতের প্রচন্ড ঠান্ডায় মানুষজন জ্বর-সর্দি-কাশি, নিউমেনিয়া ও ডায়রিয়া আক্রান্ত হচ্ছে। ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের কথা নিশ্চিত চিকিৎসকরা বলছেন, হাসপাতালে আগত রোগীদের বেশিরভাগই শীতজনিত রোগে আক্রান্ত। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে বলছেন চিকিৎসকরা।